শাহ আমানত বিমানবন্দরেও চালু হচ্ছে ইলেকট্রনিক গেট

১৪ নভেম্বর, ২০২২ ২২:০০  
আন্তর্জাতিক যাত্রীদের ভোগান্তিহীন যাতায়াতে ঢাকার শাহজালালের পর মঙলবার (১৫ নভেম্বর) চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও চালু হচ্ছে ইলেকট্রনিক গেট। ই-গেটগুলো ইমিগ্রেশন পুলিশ পরিচালনা করবে এবং প্রতিটি গেটে ক্যামেরা বসানো থাকবে। বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী প্রযুক্তি নির্ভর এই বিশেষ ৬টি ই-গেট উদ্বোধন করবেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের ৩টি গেট দিয়ে আন্তর্জাতিক যাত্রীরা যাওয়ার সময় এবং ৩টি গেট দিয়ে আসার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাতারে আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “যাত্রীরা সহজেই ই-গেট দিয়ে যেতে পারেন, কারণ ই-পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পর, গেটগুলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খোলা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হবে।” এর আগে, গত ৭ জুন ঢাকা বিমানবন্দরে ১২টি ই-গেট উদ্বোধন করা হয়। জানা গেছে, ই-গেট ব্যবহারের জন্য যাত্রীর অবশ্যই ই-পাসপোর্ট থাকতে হবে। প্রথমে ই-গেটের প্রবেশপথে নিজের ছবি, তথ্য ও বারকোডযুক্ত পৃষ্ঠা স্ক্যান করতে হবে। সেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে সব তথ্য যাচাই হলে খুলবে প্রথম ধাপ। এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যামেরাযুক্ত ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে যাত্রীর তাৎক্ষণিক পাওয়া মুখমণ্ডল মিলানো হবে। মুখমণ্ডল মিলে গেলে খুলে যাবে দ্বিতীয় গেটও। সার্ভার এবং সিষ্টেম ঠিক থাকলে ২০-২২ সেকেন্ডের মধ্যেই একজন যাত্রীর ইমিগ্রেশন শেষ হবে। কোনও কারণে ই-পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে বর্তমান মুখমণ্ডল না মিললে ই-গেট ব্যবহার করা যাবে না। এরপরও যাত্রীকে চূড়ান্ত অনুমতির জন্য ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার কাছে যেতে হবে। কারণ, পাসপোর্টের তথ্য ই-গেটে ইলেকট্রনিক্যালি যাচাই করা হলেও ই-ভিসা সব দেশে নেই। তাই সেই ভিসা যাচাই করতে হয় ম্যানুয়ালি। যাচাই করে এর বিপরীতে সিল, স্বাক্ষর দিতে হয় ইমিগ্রেশন দফতরকে। ই-পাসপোর্টে একটি অন্তর্নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর চিপ থাকে, যাতে ধারকের বিবরণ থাকে। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ই-গেটগুলো, ই-পাসপোর্ট স্ক্যান করার পর বিমান যাত্রীদের শনাক্ত করবে। এই প্রক্রিয়া ভ্রমণ সংক্রান্ত নথি যাচাইয়ের সময় উচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।